
নয়াদিল্লি, :
বিকশিত ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম ২০২৬ উপলক্ষে দেশের প্রায় ২৫০ জেলার যুবকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “বিকশিত গ্রামই বিকশিত ভারতের ভিত্তি।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির জীবন, সংস্কৃতি ও সমস্যাকে কাছ থেকে বোঝার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যুবকদের হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও লাদাখের প্রত্যন্ত গ্রামে পাঠানো হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে প্রায় ৩ লক্ষ যুবক অংশগ্রহণ করেন এবং ৪০০-র বেশি যুবক নির্বাচিত হয়ে এক সপ্তাহ ধরে সীমান্তবর্তী গ্রামে থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
তিনি বলেন, “আগে সীমান্তের গ্রামগুলিকে শেষ গ্রাম বলা হতো, কিন্তু আমাদের সরকার সেই ভাবনা বদলে দিয়েছে। এগুলি দেশের প্রথম গ্রাম, যেখানে সূর্যের প্রথম আলো পৌঁছায় এবং যেখানে তিরঙ্গা প্রথম বাতাসের সঙ্গে কথা বলে।”
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, সীমান্তবর্তী বহু গ্রামে স্বাধীনতার পর প্রথমবার বিদ্যুৎ, রাস্তা, পানীয় জল, গ্যাস সংযোগ এবং উন্নত ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছেছে। এর ফলে কৃষি, বাগান, শিক্ষা ও পর্যটনের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি যুবকদের আহ্বান জানান, তাঁরা যেন সীমান্তবর্তী গ্রামের অভিজ্ঞতা দেশের অন্য যুবকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। ছবি, ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ওই এলাকার সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও স্থানীয় পণ্যকে প্রচার করার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের যুব শক্তিই ২১ শতকের ভারতকে গড়বে। যুবরা যত বেশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে জানবে, তত বেশি ভারতকে বুঝতে পারবে।”