
রাজেন্দ্র নাথ দত্ত,মুর্শিদাবাদ: পড়ুয়াদের মোবাইল আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অধিক রাত পর্যন্ত মোবাইল দেখছে ছেলেমেয়েরা। স্কুলে মোবাইল ব্যবহারে রাশ টানার পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। এই প্রেক্ষিতেই ইতিবাচক উদ্যোগ নিল ইউলেক্স গ্লোবাল ওয়ান ফাউন্ডেশন ও মুর্শিদাবাদ বালিয়া প্রেরণা ফাউন্ডেশন। ছাত্রছাত্রীরা যাতে মোবাইল নিয়ে স্কুলে আসতে না পারে, তার জন্য কান্দী মহকুমার প্রতিটি হাইস্কুলে একটি করে মেটাল ডিটেক্টর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। রোজ সকালে স্কুল গেটে তা দিয়ে পরীক্ষা করে ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হবে।প্রধান শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, একাদশ-দ্বাদশের একাংশ স্কুলে মোবাইল এনে রিল তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত। স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করার উদ্যোগকে তাঁরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, অনলাইন ক্লাসের জন্য দেওয়া মোবাইলের এখন অপব্যবহার হচ্ছে। অভিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। ইউলেক্স গ্লোবাল ওয়ান ফাউন্ডেশনের কর্ণধার বলেন, “করোনার সময় থেকে বাচ্চাদের হাতে মোবাইল উঠেছে। এখন তা ভয়ঙ্কর আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। খেলার মাঠ, সংস্কৃতি চর্চা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে মোবাইল। তাই কান্দী মহকুমা থেকে শুরু করে আগামী দিনে সারা রাজ্যে সচেতনতা ও প্রতিটি স্কুলে মেটাল ডিটেক্টর দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।”সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, জেলার বিভিন্ন স্কুলে মোবাইল আসক্তি নিয়ে সেমিনার ও সচেতনতা শিবিরও করা হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, “শিক্ষকরাই পিডিএফ পাঠাচ্ছেন মোবাইলে, সরকারি উদ্যোগ ছাড়া রাশ টানা সম্ভব নয়।” আবার অনেকের মতে, প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে মোবাইলকে ব্রাত্য করা বোকামি।অভিভাবক সমর কুমার সেন বলেন, “আমার নবম শ্রেণির মেয়ে রাত সাড়ে বারোটাতেও মোবাইল দেখে। বন্ধ করতে গেলে অশান্তি হয়।” সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন হাইস্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এটাই ভালো ফলের অন্যতম কারণ।
#আমারকলকাতা #আমারকলকাতানিউজ #মুর্শিদাবাদ #কান্দী #শিক্ষা #স্কুল #মোবাইলআসক্তি #স্কুলেমোবাইলনিষিদ্ধ #মেটালডিটেক্টর #পড়ুয়া #ছাত্রছাত্রী #পশ্চিমবঙ্গ
