
নিজস্ব সংবাদদাতা, গোসাবা:
বর্ষার মাঝেই সুন্দরবনের নদীবাঁধের নিরাপত্তা ও মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ফের মাঠে নামলেন গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্কর। সেচ (ইরিগেশন) দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় নদীবাঁধ পরিদর্শনে বেরিয়ে তিনি জানালেন, গোসাবায় স্থায়ী কংক্রিটের নদীবাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির দ্রুত সমাধানই এখন প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য।
বিধায়কের কথায়, ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী এবার পরিদর্শন করা হবে কুমিরমারী দ্বীপ। ওই এলাকায় নদীবাঁধ সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
বর্ষার আবহে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রসঙ্গ টেনে বিকর্ণ নস্কর বলেন, প্রকৃতির এই মনোরম পরিবেশকে রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপদ জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার। নদীবাঁধ শক্তিশালী হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব বলেও তাঁর অভিমত।
তিনি আরও দাবি করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সুবিধা যাতে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যে প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় কর্মীরাও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বক্তব্যের শেষে বিধায়ক সকলকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর কথায়, সমন্বয়ের মধ্য দিয়েই সুন্দরবনের মানুষের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।