📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

কলসেন্টারের আড়ালে আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র, কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার মূল পাণ্ডা সৈকত

মাটিগাড়া, আমার কলকাতা প্রতিনিধি: কলসেন্টারের আড়ালে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতারণা চক্র চালানোর অভিযোগে কলকাতা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল মাটিগাড়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম সৈকত সিনহা রায়। পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কলকাতায় বসেই শিলিগুড়ির একটি ভুয়ো কলসেন্টার পরিচালনা করতেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার সোদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে মাটিগাড়া থানার বিশেষ দল সৈকতকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাঁকে শিলিগুড়িতে নিয়ে আসা হয়। সোমবার সকালে তাঁকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়।

তদন্তকারীদের দাবি, সৈকত এই প্রতারণা চক্রের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক। সম্প্রতি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল ওয়েবেল আইটি পার্কের ফেজ-১, ফেজ-২ এবং লিচুবাগানের ফেজ-৩ এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি ভুয়ো কলসেন্টারের সন্ধান মেলে।

ওই অভিযানে দুই দফায় মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি দুটি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের কয়েকজন দাবি করেন, নিজেকে ডিরেক্টর পরিচয় দেওয়া সৈকত সিনহা রায় কলকাতা থেকে পুরো কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করতেন।

অভিযোগ, কলসেন্টারের আড়ালে বিদেশি নাগরিকদের টার্গেট করে আর্থিক প্রতারণা চালানো হতো। পুলিশের দাবি, সোদপুরে বসে সৈকত কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন রসদ সরবরাহ করতেন।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, মাঝে মাঝে শিলিগুড়িতে এসে লিচুবাগান আইটি পার্কের ‘জি-১৪’ নম্বর ঘরে কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ দিতেন সৈকত। পুলিশের নজর এড়াতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর কলসেন্টারের অফিস এবং নিজের থাকার জায়গাও পরিবর্তন করতেন বলে অভিযোগ।

প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার হওয়া নয়জনের মধ্যে সাতজন জামিন পেলেও দু’জনকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই সৈকতের অবস্থান এবং চক্রের কাজের ধরন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

কলসেন্টারের অফিসে অভিযান চালানোর পরেও মূল অভিযুক্ত ধরা না পড়ায় পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে কলকাতার সোদপুর থেকে সৈকত সিনহা রায়কে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

এই প্রতারণা চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত, বিদেশে আর্থিক প্রতারণার সঙ্গে আরও কারা যুক্ত এবং পুরো কর্মকাণ্ডে কারা সহযোগিতা করত—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃত সৈকতকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

#আমারকলকাতা #কলসেন্টারপ্রতারণা #আন্তর্জাতিকপ্রতারণা #প্রতারণাচক্র #সৈকতসিনহারায় #মাটিগাড়া #শিলিগুড়ি #কলকাতা #ভুয়োকলসেন্টার #আর্থিকপ্রতারণা #ক্রাইমনিউজ #পুলিশ #WestBengalNews #KolkataNews #SiliguriNews #CrimeNews #AamarKolkata

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top