📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ, সঙ্গে ৭ বছরের সন্তান! ফাঁসিদেওয়ায় চাঞ্চল্য

ফাঁসিদেওয়া, শিলিগুড়ি: ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এক গৃহবধূ ও তাঁর সাত বছরের সন্তান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ি মহকুমার লেউসিপাকুড়ি এলাকার ভেলকুজত মুন্সি বাড়িতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। নিখোঁজ গৃহবধূর নাম শাহিনা বেগম এবং তাঁর সাত বছরের ছেলে রিসিক হক।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো গত দিনও দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন শাহিনা। প্রায় ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ স্কুল ছুটি হওয়ার কথা ছিল। সাধারণত তিনি সাইকেলে করে ছেলেকে আনতে যেতেন। তবে নিখোঁজের দিন গ্রামের এক পরিচিত ব্যক্তির বাইকে করে স্কুলের উদ্দেশে রওনা হন বলে পরিবারের দাবি।

এরপর থেকেই শাহিনা ও তাঁর ছেলে রিসিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ করেও তাঁদের সন্ধান না মেলায় শেষ পর্যন্ত গত ১৫ সেপ্টেম্বর ফাঁসিদেওয়া থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।

নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান পেতে পরিবারের সদস্যরা সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন। শাহিনার শাশুড়ি বৈশাখী খাতুন এবং মামাশ্বশুর মোহাম্মদ আলম জানান, শাহিনা অত্যন্ত সরল ও শান্ত স্বভাবের। পরিবারের দাবি, তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না এবং বিয়ের পর থেকে তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা তাঁরা লক্ষ্য করেননি।

পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, কোনও কারণে তিনি পথ ভুল করে অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন কি না, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। একই সঙ্গে পরিবারের তরফে আবেদন করা হয়েছে, কেউ শাহিনা বেগম ও তাঁর ছেলে রিসিক হককে কোথাও দেখতে পেলে যেন দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, যদি কোনও কারণে অভিমান করে শাহিনা বাড়ির বাইরে গিয়ে থাকেন, তাহলে তিনি যেন দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন। মা ও ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বর্তমানে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে গোটা পরিবার।

এদিকে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশও নিখোঁজ মা ও শিশুর সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের সন্ধান পেতে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

শাহিনা বেগম ও রিসিক হকের সন্ধান সম্পর্কে কারও কাছে কোনও তথ্য থাকলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top