📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

খেলা হবে থেকে ফুটবলার! মমতা শিবিরের নতুন নাম জানাল নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা | আমার কলকাতা

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে নতুন পরিচয় নির্ধারণ করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর নতুন নাম হয়েছে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’। এই গোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ‘ফুটবল প্লেয়ার’ প্রতীক।

অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর নতুন নাম হয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’। তাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ‘এনভেলপ’ বা খাম প্রতীক। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে দুই গোষ্ঠী পৃথক নাম ও প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের মূল নাম এবং ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। দুই গোষ্ঠীকেই নতুন নাম এবং মুক্ত প্রতীকের তালিকা থেকে পছন্দ জানাতে বলা হয়েছিল। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, উভয় পক্ষকে একাধিক নাম ও প্রতীকের বিকল্প জমা দিতে হয়।

কমিশনের নির্দেশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর তরফে একাধিক নামের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তার মধ্যে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিই অনুমোদন পায়। প্রতীকের ক্ষেত্রে ফুটবল প্লেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী গোষ্ঠীর জন্য ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং খাম প্রতীক নির্ধারণ করেছে কমিশন।

‘ফুটবল প্লেয়ার’ প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রচারে ফুটবল এবং ‘খেলা হবে’ স্লোগানের ব্যবহার অতীতে দেখা গিয়েছে। তবে নতুন প্রতীক বেছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তকে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে কমিশনের তরফে এমন কোনও ব্যাখ্যা প্রকাশিত হয়নি।

কমিশনের এই সিদ্ধান্তটি মূলত আসন্ন উপনির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দুই গোষ্ঠীকে পৃথক পরিচয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়ার জন্য। সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আগামী উপনির্বাচনকে সামনে রেখেই নতুন নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও বাকি। নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ব্যবস্থা আপাতত দুই গোষ্ঠীকে পৃথক পরিচয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

রিপোর্ট: দীপঙ্কর দলুই, আমার কলকাতা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top