📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

রেজিনগর থানায় ধর্নায় হুমায়ুন কবীর, পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ

রাজেন্দ্রনাথ দত্ত, মুর্শিদাবাদ: দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার এবং ভোটারদের এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে রেজিনগর থানার সামনে ধর্নায় বসলেন নওদার বিধায়ক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রেজিনগর থানার সামনে তাঁর এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।

জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে দলের নেতা এবং রামপাড়া-১ পঞ্চায়েত সদস্য সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতারের পরই ধর্নায় বসার সিদ্ধান্ত নেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ১৫ জন নেতা বর্তমানে মিথ্যা মামলায় জেলে রয়েছেন।

পুলিশের বিরুদ্ধে হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ

ধর্নামঞ্চ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশে রেজিনগর, শক্তিপুর এবং বেলডাঙা থানার পুলিশ ভোট লুটের পরিকল্পনা করছে।

হুমায়ুন কবীরের আরও অভিযোগ, পুলিশ মুসলিম পরিবারগুলির বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৬ অক্টোবর ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও দাবি করেন, উপনির্বাচনের আগে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, দলের পরিবর্তে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

তিন থানার ওসি সরানোর দাবি

রেজিনগর, শক্তিপুর এবং বেলডাঙা থানার ওসিদের সরিয়ে দিয়ে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, উপনির্বাচনের আগে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

হুমায়ুন কবীর জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি একাই থানার সামনে ধর্না চালাবেন। এরপর বিকেল থেকেও ফের অবস্থানে বসার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ধর্নামঞ্চ থেকে হুমায়ুন বলেন, পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।

আগেও থানার সামনে ধর্নায় বসেছিলেন হুমায়ুন

উল্লেখ্য, গত ১২ সেপ্টেম্বর একই ধরনের অভিযোগ তুলে শক্তিপুর থানার সামনে প্রায় ১৭ ঘণ্টা ধর্নায় বসেছিলেন হুমায়ুন কবীর।

এবার রেজিনগর থানার সামনে তাঁর অবস্থান ঘিরে ফের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় কর্মীদের গ্রেফতার, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে যে অভিযোগগুলি তোলা হয়েছে, সেগুলি নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে।

রিপোর্ট: রাজেন্দ্রনাথ দত্ত
মুর্শিদাবাদ | আমার কলকাতা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top