📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

মনসা পুজোর লাইটিং ঘিরে উত্তেজনা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মিটল সমস্যা

নিজস্ব প্রতিবেদন | হাসনাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা

হাসনাবাদ ব্লকের মাখালগাছা সাহাপাড়া মোড়ে মনসা পুজোর লাইটিংকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। পুজো উপলক্ষে রাস্তার উপর লাইটিংয়ের কাঠামো তৈরি করা নিয়ে আপত্তি ও বিক্ষোভের অভিযোগ ঘিরে এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়েছে বলে পুজো কমিটির দাবি।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা মনসা পুজো উপলক্ষে বাজার সংলগ্ন একটি মাদ্রাসার সামনে রাস্তার উপর লাইটিংয়ের জন্য কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। পুজো কমিটির অভিযোগ, ওই লাইটিং নিয়ে আপত্তি জানিয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের আরও দাবি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাস্তা অবরোধ করা হয় এবং পুজো বন্ধের দাবিও তোলা হয়।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় বলে পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজো কমিটির সদস্যরা পুলিশের দ্বারস্থ হন। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধিরাও প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, আইন মেনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তারা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানায়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা পুজো কমিটির পাশে দাঁড়িয়ে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্বস্তি

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুজো কমিটির বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে মনসা পুজো ও পুজো উপলক্ষে লাইটিং করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের পর সমস্যা মিটেছে এবং পুজো কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কোনও মতবিরোধ তৈরি হলে তা বিক্ষোভ বা উত্তেজনার পরিবর্তে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আইনি পথে সমাধান করা উচিত।

অন্যদিকে, এলাকায় যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা না ছড়ায়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের একাংশ। পুজোকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য: বিক্ষোভ ও পুজো বন্ধের দাবির বিষয়গুলি পুজো কমিটির অভিযোগের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। ঘটনার অন্য পক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

রিপোর্ট: চিন্ময় চক্রবর্তী, আমার কলকাতা

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top