📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 Breaking News : কলকাতার সর্বশেষ খবর এখানে দেখানো হবে।

৩৪৮ কোটি টাকার অর্থপাচার মামলায় ED-এর চার্জশিট, অজয় সেহগালের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ

সানটেক সিটি প্রকল্পে ভুয়ো নথিতে জমির অনুমোদনের অভিযোগ, PMLA আইনে আদালতে অভিযোগপত্র জমা

নয়াদিল্লি:
রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে জমির অনুমোদন নেওয়ার ক্ষেত্রে ভুয়ো নথি ব্যবহারের অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ভারতীয় কো-অপারেটিভ হাউস বিল্ডিং সোসাইটি লিমিটেডের সচিব অজয় সেহগালের বিরুদ্ধে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন (PMLA), ২০০২-এর আওতায় আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে ED। ED-এর জালন্ধর জোনাল অফিস ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে মোহালির বিশেষ PMLA আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।

ভুয়ো সম্মতিপত্র দিয়ে CLU নেওয়ার অভিযোগ

ED-এর তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, অজয় সেহগাল ‘SUNTEC CITY’ নামে একটি রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের জন্য ১০৮.৫৮ একর কৃষিজমিকে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য পরিবর্তনের (Change of Land Use বা CLU) অনুমোদন নিতে ভুয়ো সম্মতিপত্র ব্যবহার করেছিলেন। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই CLU অনুমোদনের ভিত্তিতেই GMADA প্রকল্পের লাইসেন্স দেয় এবং পরবর্তীতে RERA রেজিস্ট্রেশন নেওয়া হয়।

প্রকল্প বিক্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ

ED জানিয়েছে, প্রকল্পের উন্নয়ন ও বিক্রির অধিকার ABS Township Private Limited-এর হাতে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ‘La Canela Phase 1’ এবং ‘District 7’ প্রকল্পের মাধ্যমে সম্পত্তি বিক্রি করে অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ (Proceeds of Crime) তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এছাড়াও RERA অনুমোদন ছাড়াই La Canela Phase 2-এ আবাসিক ইউনিট বিক্রির অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।

EWS জমি হস্তান্তর না করার অভিযোগ

ED-এর অভিযোগ, প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির (EWS) জন্য সংরক্ষিত জমি GMADA-র কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এছাড়াও প্রয়োজনীয় Completion Certificate ছাড়াই জমির মালিকদের দখল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তল্লাশিতে উদ্ধার নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি

২০২৬ সালের মে ও জুন মাসে PMLA আইনের ১৭ নম্বর ধারায় ED একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় I সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং প্রায় ৩০.৯৮ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ED। অজয় সেহগালকে এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করে ২২ মে ২০২৬ PMLA আইনের ১৯ নম্বর ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিল।

৩৪৮ কোটি টাকার সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত

ED-এর হিসাব অনুযায়ী, এই মামলায় অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২১২.৫৮ কোটি টাকা বিক্রির অর্থ এবং ১৩৫.৪১ কোটি টাকা অবিক্রিত সম্পত্তির মূল্য বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। মামলার আরও তদন্ত চলছে।

সূত্র: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) প্রেস রিলিজ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top