
মালদা, আমার কলকাতা প্রতিনিধি: মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের বাথরুমে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ উঠল। বুধবার সেখানে সাফাই অভিযান চালাতে গিয়ে বাথরুমের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপির দক্ষিণ মালদার সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি। পরিস্থিতির কারণে সাফাই অভিযান স্থগিত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চার-পাঁচ দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান চালানোর দাবি জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বিজেপির উদ্যোগে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবেই বুধবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে সাফাই অভিযান চালাতে যান বিজেপি নেতাকর্মীরা।
উপস্থিত ছিলেন বিজেপির দক্ষিণ মালদার সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি, সহ-সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, বিজেপি নেতা বিষ্ণুপদ রায়-সহ অন্যান্য কর্মীরা।
বাথরুমের অবস্থা দেখে ক্ষোভ বিজেপি নেতার
অভিযানে গিয়ে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের রোগীদের ওয়ার্ডের বাথরুমে প্রবেশ করতেই চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নজরে আসে বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। তাঁদের অভিযোগ, বাথরুমের বিভিন্ন অংশে নোংরা জমে রয়েছে। একাধিক ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দুর্গন্ধের কারণে ভিতরে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে সাফাই অভিযান চালানো সম্ভব নয় বলে জানান বিজেপির দক্ষিণ মালদার সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি। তাঁর বক্তব্য, পেশাদার সাফাইকর্মী ছাড়া এই ধরনের নোংরা পরিষ্কার করা সম্ভব নয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সাফাই অভিযানের দাবি
অজয় গাঙ্গুলি অভিযোগ করেন, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর দাবি, আগের সরকারের আমলে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা যথাযথ কাজ না করেই টাকা নিয়েছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে বিশেষ সাফাই অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কথা জানান। অন্যথায়, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের বাথরুম নিয়ে ওঠা এই অভিযোগের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।
রিপোর্ট: আমার কলকাতা প্রতিনিধি, মালদা
