📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

১১৬ কোটি টাকার ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগ, চেন্নাই-তিরুপুরে ED-এর তল্লাশি

চেন্নাই: ১১৬.৭৯ কোটি টাকার ব্যাংক প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে তামিলনাড়ুর চেন্নাই ও তিরুপুরে ছ’টি ঠিকানায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ১৮ সেপ্টেম্বর চেন্নাই জোনাল অফিস-২-এর আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তল্লাশিতে প্রায় ৮২ লক্ষ টাকা নগদ, দু’টি বিলাসবহুল গাড়ি, ল্যাপটপ, পেনড্রাইভ, মোবাইল ফোন, সম্পত্তির নথি-সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ED সূত্রে জানা গিয়েছে।

তদন্তের সূত্রপাত CBI-এর দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে। ED-এর দাবি, Indian Overseas Bank (IOB)-এর কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার পর PGC Corporation Ltd.-এর বিরুদ্ধে প্রায় ১১৬.৭৯ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। সংস্থাটির ঋণখাতা ২০১৩ সালে NPA এবং ২০২০ সালে ‘ফ্রড’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

ED-এর অভিযোগ, ২০১১-১২ অর্থবর্ষের আর্থিক নথিতে কারচুপি করে ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণসুবিধা নেওয়া হয়। পরে সেই ঋণের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এবং দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থায় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশে বিনিয়োগের নামে পাঠানো টাকার একাংশ ফের ভারতে এনে ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে বলে ED-এর দাবি, সংস্থার ডিরেক্টর D. Prem এবং Aadith D. Vikram দেশ ও বিদেশে একাধিক সংস্থা ও ফার্মের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন। সেই সংস্থাগুলির মাধ্যমে ঋণের টাকা বিনিয়োগের নামে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।

ব্যাংক ঋণ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করার পর PGC Corporation-এর প্রায় ২৩৫ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তবে সেই বিক্রির টাকা বাস্তবে সংস্থার হাতে আসেনি বলে ED-এর দাবি। পরে ঋণদাতাদের অনুমোদন ছাড়াই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তল্লাশিতে অভিযুক্তদের স্ত্রী ও আত্মীয়দের নামে থাকা সম্পত্তি ও ব্যবসা সংক্রান্ত নথিও পাওয়া গিয়েছে বলে ED জানিয়েছে। স্ত্রী ও কর্মীদের নামে নতুন ব্যবসা গড়ে তোলা হলেও তার নেপথ্যে অভিযুক্তরাই ব্যবসা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ।

তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা, গাড়ি, ডিজিটাল ডিভাইস ও নথিপত্রের সূত্র ধরে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ED। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top