📅   |   🕒   |   📍 কলকাতা   |   🔴 Breaking News
🔴 বাংলা থেকে বিশ্ব — খবরের শীর্ষে ‘আমার কলকাতা’।

তাকদাহ হাসপাতালে ভয়াবহ ধস, ধ্বংসস্তূপে চাপা রোগীর পরিজন

দার্জিলিং | আমার কলকাতা প্রতিনিধি: টানা প্রবল বৃষ্টির জেরে পাহাড়ে ফের ধসের আতঙ্ক। শুক্রবার ভোররাতে দার্জিলিংয়ের তাকদাহ হাসপাতালে ধস নামায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টা নাগাদ হাসপাতাল ভবনের একটি অংশে আচমকাই মাটি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে পড়ে। সেই সময় হাসপাতালের ভিতরে থাকা ছয়জনের মধ্যে একজন ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন বাকি পাঁচজন।

তাকদাহ হাসপাতালে ধস, ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন রোগীর পরিজন

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতের দিকে টানা বৃষ্টির মধ্যেই তাকদাহ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ধস নামে। পাহাড়ের মাটি ও ধ্বংসাবশেষ হাসপাতাল ভবনের একটি অংশে ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তি ছিলেন এক রোগীর পরিজন। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কিছুক্ষণ অভিযান চালানোর পর তাঁকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে।

উদ্ধারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দার্জিলিং হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অল্পের জন্য বাঁচলেন পাঁচজন

অন্যদিকে, তাকদাহ হাসপাতালে ধসের সময় সেখানে থাকা বাকি পাঁচজন কোনওভাবে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তাঁদের কারও গুরুতর আঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।

বৃষ্টির জেরেই কি ধস?

তাকদাহ রুরাল হাসপাতাল রংলি-রংলিয়ট ব্লকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। দার্জিলিং শহর থেকে হাসপাতালটির দূরত্ব প্রায় ২৮ কিলোমিটার। পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টির জেরেই মাটি আলগা হয়ে তাকদাহ হাসপাতালে ধস নেমেছে। তবে ধসের প্রকৃত কারণ এবং হাসপাতাল ভবনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু হয়েছে।

দার্জিলিংয়ে ধসের আশঙ্কা

টানা বৃষ্টির জেরে দার্জিলিং ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় একাধিক জায়গায় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে পাহাড়ি রাস্তায় যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির সময় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top